Criticism of Charles Baudelaire

লা ফিগারো পত্রিকায় ২৫ জুন ১৮৫৭ শার্ল বোদলেয়ার-এর ‘ফ্ল্যুর দ্যু মাল’ কাব্যগ্রন্হের সমালোচনা : “বিগত পনেরো বছর যাবত বোদলেয়ার নামে লোকটিকে কবি বলে চালাচ্ছে একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী, আর তাদের এতো স্পর্ধা যে বোদলেয়ারকে তারা উগো, ম্যুসে, কিংবা বেরাগেঁর চেয়ে বড় কবি বলে মনে করে । মসিয়ঁ বোদলেয়ার তাঁর বইটিতে যা লিখেচেন, তাতে তিনি প্রকৃতিস্হ মানুষ কিনা সে-বিষয়ে সন্দেহ জাগে ; আবার অনেক সময়ে সে সন্দেহটুকুও থাকে না । কবিতাগুলো একঘেয়ে শব্দ আর ধারণার অবিরাম বিকৃত পুনরুক্তি । এর আগে কখনও এত ক্ষুদ্র আয়তনে, মহিলাদের বুকে কামড়, স্তন চিবোনো, পাপাত্মাদের মিছিল দেখা যায়নি । পাঠ করার জন্য পাওয়া যায়নি এতো ভ্রূণ, রাক্ষস, বেড়াল, ছুঁচোর বিবমিষা উদ্রেককারী রচনা । সমগ্র বইটা মানব হৃদয়ের পচা গু-মুতে ঠাসা একটি ফোঁপরা মস্তিষ্কের পাগলা গারদ । বইটা যদি ওই সমস্ত অসুস্হতা সারাবার উদ্দেশ্যে হতো তাহলে মেনে নেয়া যেতো ; কিন্তু ও অসুখ কস্মিনকালে সারবার নয় । বহু কবিতার তো শিরোনাম পর্যন্ত ক্ষতিকর । কুড়ি বছর বয়সী কবি এরকম নোংরামি করলে বয়সের দোষ বলে চালানো যেতো । কিন্তু একজন মাঝবয়সী লোকের কবিতায় কোনো তর্কে তা বরদাস্ত করা উচিত নয়।

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ইজরায়েলের ইহুদি ভাষার কবি এলি এলিয়াহু’র কবিতা

অ্যালিবাই

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

যেদিন ঘটনাটা ঘটেছিল আমরা কফির আড্ডায় বসেছিলুম।

আমরা দিব্বি দিয়ে পরস্পরের উপস্হিতির কথা বলতে পারি ।

পরে, আমরা বাড়ি ফেরার গতানুগতিক রাস্তা ধরলুম ।

যে প্রতিবেশীরা দৌঁড়ে এসেছিল তারা নিশ্চিত বলবে ।

তারপর রোজকার মতো টিভি দেখে বিছানায় সটান হলুম।

সারা রাত আমরা কেউ উঠিনি ।

একটু এপাশ-ওপাশ করেছিলুম বিছানায়, কিন্তু ভালোভাবেই ঘুমোলুম

( আমরা ভাবলুম, ভালোবাসা সব রকমের অপরাধ চাপা দিতে পারে )।

যদি কেউ জীবন্ত পুড়িয়ে দেয়া ছেলেটার কথা জানতে চায়,

আমাদের কাছে তার যথাযথ অ্যালিবাই আছে।

আমাদের চোখ ঘটনাটা দেখেনি, 

আমাদের হাত সেই রক্তারক্তি ঘটায়নি ।

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ভারতীয় উর্দু কবি ইকরা খিলজি’র কবিতা

খবিশ KHABISH خبيث “Impure; base; wicked.”

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

আমি অশুদ্ধ, আমি নোংরা

আমি ভবঘুরেপনার প্রচারক

স্বর্গের বিশুদ্ধ পরিদের গানের

সৌন্দর্যের প্রতিমা আমি নই

আমি আমার কামনার দাসী

আমি লালসার বুদবুদ

আমি জীবন্ত, আমি ভঙ্গুর

তবু আমি অহঙ্কারের মিনার

আমি মাত্রাধিক অহমিকার মানুষী 

তোমরা আমাকে কখনও ছুঁতে পারবে না

তোমাদের মনে হতে পারে আমি খড়ের বা লাঠির শব

কেনই বা আমি ভুয়ো আকাঙ্খায় গড়ব নিজেকে ?

তোমরা যতোটা স্বার্থপর, আমিও ততোই

কেনই বা আমি পরার্থতার প্রতিমা হবো ?

তোমাদের মতনই মিষ্ট আমার কথাবার্তা

আমি কেন মিছরির তৈরি সৎচরিত্রের দেবী হবো ?

আমি অতিসাধারণ

তোমাদের খাতিরে ভালো হবার ভার আমি কেন বইব ?

তোমাদের রয়েছে উন্নত হবার গর্ববোধ

কিন্তু খ্যাতি আমার কাছে সহজেই আসে

তোমাদের যদি প্রাণহীন হাসিমুখ ভালো লাগে

তাহলে শ্বেতপাথরের মূর্তি যোগাড় করে নাও

তোমাদের আনন্দের খাতিরে আমার কপালের বলিরেখা উবে যাবে না

আমার মুখমণ্ডলের ভাবভঙ্গী তোমাদের আদেশ পালন করে না

এমনকী তা তোমাদের খাতিরে নয়

আমি সৌন্দর্যের জিনিস নই

আমি বিনয়ের আজ্ঞাবহ নই

আমি লাবণ্যের কথা জানি না

আমি পুজো করা মানি না

তোমাদের স্নেহ বা মনোযোগ চাই না

মনে করার কারণ নেই যে তোমাদের ছাড়া আমি দুর্দশাগ্রস্ত

তোমাদের রাজত্বের প্রজা আমি আর নই

বাধিত নই তোমাদের কৃতজ্ঞতায়

মনে কোরো না তোমাদের প্রাসাদের আমি পাপোশ 

এবার বলো, তোমাদের বিশ্বস্ততার প্রতিশ্রুতি কেমন ছিল

যখন আমি ছলনাময় তাবিজ হয়ে উঠি

যে তোমাদের  জাহাঙ্গীর করে তুলেছিল

আমি আর তীরবঞ্চিত ঢেউ নই

স্বর্গের কৌতূহলে চেপে আমি উড্ডীন

ইতিহাসের পাতা আমাকে মুছে ফেললেও

বিশ্বাসীরা আমাকে আশীর্বাদ করবে

আমার দেহ আর আমার মনকে বহুকাল বোরখায় ঢেকে রাখা হয়েছে

কিন্তু এই অন্ধকার সময়ে আমার অস্তিত্ব দীপ্তিময়ী

আকাশে এমনই কানাকানি চলছে

শেকলে বেঁধে কতোকাল আমাকে পেছনে ফেলে রাখবে

আমার ক্ষমতা বহুকাল প্রদর্শিত হয়েছে

আর কতোদিন মাদ্রাসাগুলো আমাকে অপমান করবে

বহুকাল আমি পদাতিকের যুদ্ধ লড়ে চলেছি

আমার বিদ্রোহ এই পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে

আর আমার ষড়যন্ত্র দুর্বলও নয় মূর্খেরও নয়

যে ক্ষমতাপ্রাসাদ থেকে তোমরা আমাকে দাবিয়ে রাখো তাতে আমি ঢুকে পড়েছি

আমি তোমাদের জগতকে অলঙ্কৃত করার জন্যে যে সৃষ্ট নই তা তোমাদের জানার সময় এসে গেছে

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

তেনজিন সানদু (জন্ম ১৯৭৭ ) একজন কবি, লেখক এবং তিব্বতি শরণার্থী এবং রাজনৈতিক কর্মী । ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাঁকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য; সংক্ষিপ্ত মেয়াদে বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার করেছে বা কারাগারে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নিয়েছে । যখন তাঁর বাইশ বছর বয়স তিনি তিব্বতে গিয়ে বসবাস করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল । তেনজিন সানদু বলেছেন, “তারা আমাকে বলেছিল যে আমি ভারতে জন্মগ্রহণ করেছি; তাই আমি তিব্বতে বসবাস করতে পারব না।”

তিব্বতি কবি তেনজিন সানদু’র (Tenzin Tsundue )  কবিতা 

উদ্বাস্তু

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

যখন আমি জন্মেছিলুম

আমার মা বলেছিলেন

তুই একজন উদ্বাস্তু ।

পথের ধারে আমাদের তাঁবু 

তুষারের ধোঁয়া ওড়াতো ।

তোর কপালে

তোর দুই ভ্রুর মাঝে

একটা ‘উ’ ছাপ খোদাই করা আছে

বলেছিলেন আমার শিক্ষক ।

আমি আমার কপাল 

রগড়ে আর আঁচড়ে পেয়েছি

ধৃষ্ট এক রক্তবর্ণ  ব্যথা ।

আমার তিনটে জিভ আছে

যে-জিভ গান গায়

তা আমার মাতৃভাষা

কপালে খোদাই করা ‘উ’

আমার ইংরেজি আর হিন্দির মাঝে

তিব্বতি ভাষায় কথা বলে ।

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ইউগাণ্ডার কবি সলোমন ওচয়ো-ওবুরু-র কবিতা

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

“যখন আপনি ঘুমিয়ে পড়েন”

যখন আপনি ঘুমিয়ে পড়েন

একটা চোখ নিশ্চয়ই জেগে থাকা দরকার

কেননা যখন বিপদ আসন্ন

তার একজন সাক্ষী তো থাকবে

.

যখন আপনি ঘুমিয়ে পড়েন

একটা হাতের উচিত প্রস্তুত থাকা

কেননা যদি কোনো ডাকাত এসে পড়ে

হাতটা শরীরের রক্ষা তো করতে পারবে

.

যখন আপনি ঘুমিয়ে পড়েন

একটা কানের সতর্ক থাকা উচিত

কেননা কেউ যদি ফিসফিস করে কথা বলে

অন্তত গোপন কথাগুলো জানতে পারবে

.

যদি আপনি মারা যান, তাহলেও মরবেন না

মৃত্যুকে এমন কোনো ছাড় দেবেন না যে সে আপনাকে খুন করে কেটে পড়ে

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

হিন্দি ভাষার কবি গজানন মাধব মুক্তিবোধ-এর কবিতা

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

“শূন্য”

আমাদের ভেতরের শূন্যতার

চোয়াল আছে, 

সেই চোয়ালের আছে মাংসাশী দাঁতের সারি;

ওই দাঁতগুলো তোমায় খেয়ে ফেলবে,

ওই দাঁতগুলো বাদবাকি সবাইকে খেয়ে ফেলবে ।

ভেতরের গহ্বরে

ক্রোধের অভ্যাস

আমাদের বৈশিষ্ট্য,

চোয়ালের ভেতরের অন্ধকার গর্তে

রয়েছে রক্তের এক পুকুর।

ওই শূন্যতা এমনই যে

তা কুচকুচে কালো, বর্বর, উলঙ্গ,

অস্বীকৃত, ন্যূন, 

সম্পূর্ণরূপে আত্মমগ্ন ।

ওকে আমি উত্তেজিত

শব্দের আর কাজের মাধ্যমে

ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিই

বিলিয়ে দিতে থাকি ।

যারা আমার পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়

এই শূন্যকে

আমার দেয়া আঘাতে 

তারা তাদের ক্ষততে খুঁজে পায় ।

তাকে বিষিয়ে দেয়, ছড়িয়ে দেয়,

আরও লোকেদের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে ছড়িয়ে দিয়ে,

শূন্যের সন্তানদের পালন করে ।

বেশ টেকসই

শূন্য অনেক উর্বর ।

মাংসাশী দাঁতে 

সব জায়গায় পয়দা করে

করাত, ছোরা, কাস্তে ।

সে-কারণেই যে দিকে তুমি তাকাও,

দেখবে নাচ আর হইচই,

মৃত্যু এখন নতুন-নতুন বাচ্চার জন্ম দিচ্ছে ।

স্হানে-অস্হানে দাঁতালো ভুল,

সশস্ত্র দোষদুষ্ট,

যা দেখে জগতসংসার এগোয় আর হাত কচলায় ।

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

আফগানিস্তানের কবি এলিয়াস আলাভির কবিতা

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

আমি বিশ্বাস করি না

প্রিয়তমা, যদি

তুমি মারা যাও

তাহলে তা যক্ষ্মারোগে হোক

কিংবা প্রচণ্ড ঠাণ্ডা লেগে হোক, 

আত্মঘাতী বোমা হামলার শিকার হিসাবে নয়।

তোমার হাতে সময় থাকা দরকার

নিজের স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলার,

তোমার শরীরের অবস্হা যাচাই করার,

যাতে বিদায় নেবার পরিকল্পনা করতে পারো ।

নিজের পায়ে বাড়ি ছেড়ে যেতে হয়নি

আর তোমার জুতোজোড়া আমরা বাজারে খুঁজে পেলুম ।

কখনও তোমার হাত বা তোমার হাসি খুঁজে পাবো না

খুঁজে পাবো না তোমার দুটি চোখ ।

আমি সাক্ষী থাকবো ভেবেছিলুম

তোমার মৃত্যুর, তোমার শেষ নিঃশ্বাসের ।

আমার আঙুলের ছোঁয়ায় তোমার চোখের পাতা বুজে যাবে ।

নয়তো, কেউই বিশ্বাস করবে না, চিরকালের জন্য

আমি নিজেও বিশ্বাস করব না ।

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

আফগানিস্তানের কবি খোশল খান খট্টক-এর ( ১৬১৩ – ১৬৮৯ )কবিতা

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

“পাঠান”

রোহভূমিতে যে পাঠানরা বিখ্যাত

তারা হল মোহমান্দ, বাঙ্গেশ, আর ওয়ারাকাজি,আর আফ্রিদি

মোহমান্দদের কুকুরগুলো বাঙ্গেশদের চেয়ে ভালো,

যদিও মোহমান্দরা নিজেরাই কুকুরদের চেয়ে হাজারগুণ নিকৃষ্ট।

ওয়ারাকাজিরা আফ্রিদিদের ধাঙড়,

যদিও আফ্রিদিরা, একধার থেকে সব্বাই, নিজেদেরই ধাঙড় ।

পাঠানদের দেশে যারা থাকে তাদের এটাই সত্য,

এর থেকে যারা খারাপ তারা বলতে পারে কি ওরা পুরুষমানুষ ?

এখন যে পাঠানরা বেঁচে আছে তাদের কোনও ভালো গুণাবলী নেই :

যারা ছিল উল্লেখযোগ্য তারা এখন কবরের কারাগারে ।

যারা তাদের জানেন তাদের কাছে এটি প্রকৃতই স্পষ্ট। 

যার সম্পর্কে মোগলরা বলে, ‘উনি আমাদের প্রতি অনুগত’,

আল্লাহ যেন এ জাতীয় লজ্জা গোপন করেন !  

পাঠানরা তাদের মগজ থেকে  সম্মানের সমস্ত চিন্তাভাবনা তাড়িয়ে দিক:

কেননা মোগলরা ওদের জন্য যে বঁড়শি ঝুলিয়েছিল তাতে ওরা ফেঁসে গেছে ।

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

পাকিস্তানি কবি হাবিব জালিব-এর কবিতা

সংবিধান

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

যে রশ্মি কেবল প্রাসাদগুলোকে আলোকিত করে

ছায়ায় পুড়িয়ে দেয় জনগণের আনন্দ

অন্যের দুর্বলতা শুষে নিজের শক্তি সঞ্চয় করে

সেরকম সংবিধান, আলোহীন সকালের মতন

আমি মানি না, আমি জানি না

.

আমি ফাঁসিকে ভয় পাই না,

বলে দাও পৃথিবীকে যে আমি একজন শহীদ

জেল দেখিয়ে জীবন্তকে কেন ভয় পাওয়াচ্ছো ?

এই পরিব্যপ্ত সর্বনাশ, এই মূর্খতার রাত,

আমি মানি না, আমি জানি না

.

তোমরা বলো শাখায় শাখায় ফুল ফুটেছে 

তোমরা বলো মদের পেয়ালা উপচে পড়ছে

তোমরা বলো আপনা থেকে সেরে যাচ্ছে হৃদয়ের ক্ষত

এই ডাহা মিথ্যা, চোখের সামনে ডাকাতি

আমি মানি না, আমি জানি না

.

হাজার বছর ধরে আমাদের মানসিক শান্তি চুরি করেছ তোমরা

আমাদের ওপর তোমাদের খবরদারি আর চলবে না

যন্ত্রণাকাতরদের সেবক সাজো কেন

তোমরা নাকি সেবক কেউ স্বীকার করলেও 

আমি মানি না, আমি জানি না

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

পাকিস্তানি কবি ফাহমিদা রিয়াজ-এর কবিতা

ও একজন কলুষিত নারী

অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

ও একজন কলুষিত নারী

উৎসারিত রক্তে কারারুদ্ধ

একের পর এক মাস ও বছরের চক্রে।

ওর তপ্ত লালসার গ্রাসের কবলে

নিজের আকাঙ্খার খোঁজে,

শয়তানের এই রক্ষিতা

শয়তানের পদচিহ্ন অনুসরণ করে

পৌঁছোয় এক অস্পষ্ট গন্তব্যে

যার নকশা, এলাকা আগে থেকে জানা নেই,

সেই আলো আর আগুনের মিলন

খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ।

তার উষ্ণতার দপদপে আসক্তিতে

বুক দুটো উত্তাল করে দিয়েছে

রাস্তার দুধারের প্রতিটি কাঁটা

তার শরীরের প্রতিটি ঝিল্লিকে ছিঁড়ে ফেলেছে।

লজ্জার কোনও পরদা তার দেহকে লুকোতে পারে না

বহন করে না পবিত্রতার কোনও দিশা ।

কিন্তু, হে পৃথিবী ও সমুদ্রের শাসক,

সবার আগে কে এসব দেখেছে ?

সর্বত্র তোমার হুকুম অবশ্যমান্য

কেবল এই কলুষিত নারী ছাড়া

কোনও প্রার্থনা তার ঠোঁট অতিক্রম করে না

কোনও মানবিকতা ছোঁয় না তার ভ্রুযুগল ।

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান