নাজিম হিকমত-এর কবিতা ( ১৯০২ – ১৯৬৩ )। অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

nazim-hikmet-ran

বেঁচে থাকা সম্পর্কে

বেঁচে থাকো কোনো হাসির ব্যাপার নয় :

আপনাকে অত্যন্ত গাম্ভীর্যের সঙ্গে বাঁচতে হবে

একটা কাঠবিড়ালির মতন, উদাহরণস্বরূপ—

আমি বলতে চাইছি বেঁচে থাকার বাইরে আর উর্দ্ধে কোনও কিছু না খুঁজে,

আমি বলতে চাইছি বেঁচে থাকা হওয়া উচিত আপনার পেশা ।

বেঁচে থাকা কোনো হাসির ব্যাপার নয় :

আপনাকে তা গাম্ভীর্যের সঙ্গে নিতে হবে,

এমনভাবে আর এতোটা গুরুত্ব দিয়ে

যে, উদাহরণস্বরূপ, আপনার হাত আপনার পেছনে বাঁধা,

আপনার পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে,

কিংবা কোনো রসায়নাগারে

আপনার শাদা কোট আর সুরক্ষার চশমায়,

আপনি জনগণের জন্য জীবন দিতে পারেন—

এমনকি সেই লোকেদের জন্য যাদের আপনি কখনও দেখেননি,

যদিও আপনি জানেন বেঁচে থাকা

সবচেয়ে বাস্তব, সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার ।

আমি বলতে চাইওছি, আপনি বেঁচে থাকাকে এমন গুরুত্বের সঙ্গে নেবেন

যে সত্তর বছর বয়সেও, উদাহরণস্বরূপ, আপনি অলিভ গাছ পুঁতবেন—

আর আপনার সন্তানদের জন্য, দুইই,

কিন্তু যেহেতু আপনি মৃত্যুকে ভয় পান আপনি তা

বিশ্বাস করেন না.

কেননা বেঁচে থাকা, আমি বলতে চাইছি, বয়ে নিয়ে যেতে হয়।

 

ধারা যাক আমরা সঙ্কটজনকভাবে অসুস্হ, শল্যচিকিৎসার দরকার–

যার অর্থ আমরা হয়তো উঠতে পারব না

শাদা টেবিল থেকে ।

যদিও এটা অসম্ভব যে দুঃখ বোধ করব না

এতো তাড়াতাড়ি চলে যেতে,

আমরা তবুও মজার গল্প শুনে হাসব,

আমরা জানালার বাইরে দেখব বৃষ্টি পড়ছে কিনা,

কিংবা তবুও উদ্বেগে অপেক্ষা করব

সাম্প্রতিক সংবাদের সম্প্রচারের জন্য…

ধরা যাক আমরা যুদ্ধের প্রথম সারিতে–

এমনকিছুর জন্য যা নিয়ে যুদ্ধ করা যায়, ধরা যাক ।

সেখানে, প্রথম আক্রমণে, সেই দিনই,

আমরা মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে পারি, মৃত ।

আমরা তা কৌতূহলী ক্রোধ নিয়ে জানবো,

কিন্তু তবুও উদ্বেগে মারা পড়ব

যুদ্ধের ফলাফলের ব্যাপারে, যা বহুকাল চলতে পারে।

ধরা যাক আমরা কারারুদ্ধ

আর পঞ্চাশ বছরের কাছাকাছি

আর আমাদের রয়েছে আরও আঠারো বছর, ধরা যাক,

লোহার দরোজা খোলার আগে ।

আমরা তবু বহির্জগতে থাকব,

তার জনগণ আর জীবজন্তুদের নিয়ে, সংঘর্ষ আর বাতাস–

আমি বলতে চাই দেয়ালের ওদিকে যে বহির্জগত ।

আমি বলতে চাই, যেভাবে হোক আর যেখানেই আমরা থাকি

আমরা এমনভাবে বাঁচব যে আমরা কখনও মরব না।

 

এই পৃথিবী ক্রমশ শীতল হয়ে যাবে,

নক্ষত্রদের মধ্যে এক নক্ষত্র

আর সবচেয়ে ছোটো,

নীল মখমলে এক সোনালি ধূলিকণা—

আমি এর কথা বলতে চাইছি, আমাদের মহান পৃথিবী ।

এই পৃথিবী একদিন শীতল হয়ে যাবে,

এক খণ্ড বরফের মতন নয়

কিংবা এমনকি মৃত মেঘ

কিন্তু ফাঁকা আখরোটের মতন এটা গড়িয়ে চলবে

ঘন কালো শূন্যতায়…

আপনার এখনই এর জন্য শোকপালন করা উচিত

— এই দুঃখ আপনাকে এখনই পেতে হবে—-

কেননা জগতকে এতোটা ভালোবাসতেই হবে

যদি আপনি বলতে চান, “আমি বেঁচে ছিলুম”…

 

আমি জানতুম না যে সব জিনিস আমি পছন্দ করতুম

আজকে ১৯৬২ সালের ২৮শে মার্চ

আমি প্রাগ-বার্লিন ট্রেনের জানলার কাছে বসে আছি

রাত নেমে আসছে

আমি জানতুম না আমি পছন্দ করতুম

ধোঁয়াটে ভিজে প্রান্তরে ক্লান্ত পাখির মতন রাতের নেমে আসা

আমি পছন্দ করি না

ক্লান্ত পাখির সঙ্গে রাতের নেমে আসার তুলনা

 

আমি জানতুম না আমি পৃথিবীকে ভালোবাসি

কেউ কি পৃথিবীকে ভালোবাসতে পারে যে তার মাটিতে খাটেনি

আমি পৃথিবীর মাটিতে খাটিনি

এটা বোধহয় প্ল্যাটনিক ভালোবাসা

 

আর এখানে আমি সব সময়ে নদীদের ভালোবেসেছি

হয়তো এরকম স্হির তারা পাহাড়ের বাঁক দিয়ে চলে যায়

ইউরোপের পাহাড়গুলো পল্লীভবনের মুকুট পরে থাকে

কিংবা যতোদূর চোখ যায় ছড়ানো সমতলভূমি

আমি জানি একই নদীতে আপনি একবারের জন্যেও স্নান করতে পারবেন না

আমি জানি নদী নতুন আলো নিয়ে আসবে যা কখনও দেখা হবে না

আমি জানি আমরা ঘোড়ার চেয়ে কিচুকাল বেশি বাঁচি কিন্তু কাকের মতন দীর্ঘ নয়

আমি জানি এই ব্যাপারটা আগে লোকেদের বিব্রত করেছে

আর আমার পরের লোকেদেরও বিব্রত করবে

আমি জানি এই কথা এর আগে হাজার বার বলা হয়েছে

আর আমার পরেও বলা হবে

 

আমি জানতুম না আমি আকাশকে ভালোবাসি

মেঘলা বা পরিষ্কার

বোরোদিনোতে পিঠে ভর দিয়ে  আন্দ্রেই পড়েছিল নীল ভূগর্ভঘর

কারাগারে আমি ওয়ার অ্যাণ্ড পিস উভয় খণ্ড তুর্কি ভাষায় অনুবাদ করেছিলুম

আমি কন্ঠস্বর শুনতে পাই

নীল ভূগর্ভঘর থেকে নয় বরং দালান থেকে

রক্ষীরা আবার কাউকে ঠ্যাঙাচ্ছে

আমি জানতুম না আমি গাছপালা ভালোবাসি

মসকোর কাছে পেরেদিলকিনিতে পাতাহীন বার্চগাছ

শীতকালে ওরা আমার ওপর ঝরে পড়ে গরিমায় আর নম্রতাব

বার্চগুলো রুশদেশের যেমন পপলার গাছ তুর্কির

“ইজমিরের পপলার

তাদের পাতা ঝরাচ্ছে…

ওরা আমাকে বলে ছুরিকা

যুবক গাছের মতন প্রেমিকা…

আমি রাজকীয় বাড়িদের আকাশে ওড়াই”

 

১৯২০ সালে ইলগাজের জঙ্গলে আমি পাইন গাছের ডালে নকশাকরা একটা সুতির রুমাল

বেঁধেছিলুম ভাগ্য ভালো করার জন্য

 

আমি জানতুম না আমি রাস্তাদের ভালোবাসতুম

এমনকি যেগুলো আসফাল্টের

ভেরা গাড়ি চালাচ্ছে আমরা মসকো থেকে ক্রিমিয়া কোকটেবেলে যাচ্ছি

আগে তুর্কি ভাষায় বলা হতো “গোকটেপে ইলি”

আমরা দুজনে একটা বন্ধ বাক্সের ভেতরে

দুই দিন দিয়ে জগত চলে যাচ্ছে বহুদুর আর মৌন

আমি জীবনে আর কারোর এতো নিকট হইনি

আমার যখন আঠারো বছর বয়স ডাকাতরা

আমাকে বোলু আর গেরেদের মাঝে থামিয়েছিল

আমার জীবন ছাড়া আর কিছু নেবার মতন ছিল না গাড়িতে

আর আঠারো বছর বয়সে জীবনকে সব ব্যাপারের চেয়ে আমরা কম গুরুত্ব দিই

আমি একথা আগে অন্য কোথাও লিখেছি

অন্ধকার কাদাটে রাস্তা দিয়ে আমি রমজান রাতের ছায়াখেলা দেখতে যাচ্ছি

কাগজের লন্ঠন আমাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে

হতে পারে এমন কিছুই কখনও ঘটেনি

হয়তো  কোথাও পড়েছিলুম আট বছর বয়সের একটি ছেলে

কোথাও ছায়াখেলা দেখতে যাচ্ছে

ইসতানবুলে রমজানের রাতে দাদুর হাত ধরে

ওর দাদু ফেজটুপি আর ফারকোট পরে

আলখাল্লার ওপরে একটা কলার

আর চাকরের হাতে একটা লন্ঠন

আর আমার আনন্দ সামলাতে পারছি না

কোনো কারণে ফুলের কথা মনে পড়ল

পোস্তফুল ক্যাকটাস নার্গিসফুল

ইসতানবুলের কাদিকয়ের নার্গিসফুলের বাগানে আমি মারিকাকে চুমু খেয়েছিলুম

ওর শ্বাসে টাটকা কাগজিবাদাম

আমার বয়স তখন সতেরো

দোলনায় আমার হৃদয় আকাশ ছুঁয়েছিল

আমি জানতুম না আমি ফুল ভালোবাসি

বন্ধুরা কারাগারে তিনটে লাল কারনেশনফুল পাঠিয়েছিল

 

আমার মনে পড়ল নক্ষত্রদের কথা

আমি তাদেরও ভালোবাসি

তা আমি মেঝেতে শুয়ে তলা থেকে দেখি

বা তাদের পাশ দিয়ে উড়ে যেতে যেতে

 

নভোচরদের জন্য আমার কিছু প্রশ্ন আছে

নক্ষত্রগুলো কি আরও বড়ো ছিল

তারা কি কালো মখমলের ওপরে বিরাট মণিরত্নের মতন দেখাচ্ছিল

নাকি কমলার ওপরে খোবানির মতন

নক্ষত্রের কাছাকাছি পৌঁছে তোমাদের কি গর্ববোধ হয়েছিল

আমি ওগোনেক পত্রিকায় মহাকাশের রঙিন ফোটো দেখেছিলুম

তা জেনে মন খারাপ করবেন না কমরেড কিন্তু তা অলাক্ষণিক বা

আমরা বলতে পারি বিমূর্ত কোনো-কোনোটা সেইরকম তৈলচিত্রের মতন মানে বলতে

হয় সেগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে আলঙ্কারিক আর গঠিত

তাদের দিকে তাকিয়ে আমার হৃদয় তো মুখে এসে গিয়েছিল

তারা আমাদের সীমাহীন ইচ্ছা নানা বিষয়কে জানবার

তাদের দেখে আমি এমনকি মৃত্যুর কথা ভেবেছিলুম আর মোটেই দুঃখ পাইনি

আমি জানতুম না আমি মহাকাশকে ভালোবাসি

 

আমার চোখের সামনে তুষারের ঝলক

ভারি ভিজে অবিরাম তুষার আর শুকনো উড়ন্ত দুই রকমই

আমি জানতুম না আমি তুষার ভালোবাসি

 

আমি কখনও জানতুম না যে আমি সূর্যকে ভালোবাসি

এমনকি যখন চেরির মতন লাল হয়ে যায় যেমন এখন

ইসতানবুলেও তা অনেক সময়ে পোস্টকার্ডের রঙে অস্ত যায়

কিন্তু তুমি অমনভাবে আঁকতে চাইবে না

আমি জানতুম না আমি সমুদ্র ভালোবাসি

আজোভ সমুদ্র ছাড়া

কিংবা কতোটা

 

আমি জানতুম না আমি মেঘ ভালোবাসি

আমি তাদের তলায় থাকি বা তাদের ওপরে

তারা দেখতে দৈত্যের মতন হোক কিংবা লোমশ শাদা জানোয়ারের মতন

 

চাঁদের আলো সবচেয়ে কৃত্রিম সবচেয়ে অবসন্ন সবচেয়ে পাতি-বুর্জোয়া

মনে হয়

আমি তা পছন্দ করি

 

আমি জানতুম না আমি বৃষ্টি পছন্দ করি

তা সূক্ষ্ম জালের মতন পড়ুক বা কাচের ওপরে ছিটে হয়ে আমার

হৃদয়ে জালের মধ্যে জট পড়ে যায় কিংবা একটা ফোঁটার মধ্যে

আর অজানা দেশে যাত্রা করে যাদের ভালোবাসি বলে জানতুম না

বৃষ্টি কিন্তু কেন আমি হঠাৎ আবিষ্কার করলুম এই ভালোবাদাগুলো

বসে আছে প্রাগ-বার্লিন ট্রেনের জানালার পাশে

তা কি এই জন্য যে আমি ষষ্ঠ সিগারেট ধরালুম

যা একা আমাকে খুন করতে পারে

তা কি এই জন্য যে আমি মসকোয় কারোর সম্পর্কে ভেবে অর্ধমৃত

তার চুল খড়ের রঙে চোখের পাতা নীল

 

ট্রেন লাফিয়ে এগোতে থাকে ঘন কালো রাতের ভেতর দিয়ে

আমি জানতুম না আমি ঘন কালো রাত পছন্দ করি

ইনজিন থেকে স্ফূলিঙ্গ উড়তে থাকে

আমি জানতুম না আমি স্ফূলিঙ্গ ভালোবাসি

আমি জানতুম না আমি অতোগুলো জিনিসকে ভালোবাসি আর আমাকে

ষাট বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে তা আবিষ্কার করতে

প্রাগ-বার্লিন ট্রেনের জানালার ধারে বসে

পৃথিবীকে অদৃশ্য হতে দেখে যাচ্ছি এমন যাত্রায় যার ফিরে আসা নেই

১৯ এপ্রিল, মসকো

 

যারা জেল খাটবে তাদের জন্য কিছু উপদেশ

গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝোলাবার বদলে

তোমাকে ভেতরে ছুঁড়ে ফেলা হয়

আশা ত্যাগ না করার জন্য

এই জগতে, তোমার দেশ, আর জনগণ,

তুমি যদি দশ বা পনেরো বছর জেল খাটো

যা সময় বেঁচে আছে তা ছাড়া,

তুমি বলবে না

“দড়ির শেষ থেকে ঝুলতে পারলে বরং ভালো হতো

এক পতাকার মতন”—

তুমি মাটিতে পা ফেলবে আর বেঁচে থাকবে।

তা যদিও পুরো আনন্দের হবে না,

কিন্তু এটা তোমার পবিত্র কর্তব্য

আরও এক দিন বেঁচে থাকা

শত্রুকে জ্বালাতন করার জন্য ।

তোমার একাংশ একা ভেতরে থাকতে পারে,

কুয়োর তলদেশে ঢিলের মতন।

কিন্তু অন্য অংশ এমন ফাঁদে আটকে যাবে

জগতের ছুটোছুতিতে

যে ভেতরে তুমি শিহরিত হতে থাকবে

যখন বাইরে বেরোবে, চল্লিশ দিনের পরে, একটা পাতা নড়বে।

ভেতরে চিঠির জন্য অপেক্ষা করবে,

দুঃখি গান গাইবার জন্য,

কিংবা সারারাত শুয়ে থাকবে কড়িকাঠের দিকে তাকিয়ে

তা বেশ মিষ্টি কিন্তু বিপজ্জনক।

দাড়ি কামানো থেকে কামানোর মাঝে তোমার মুখের দিকে তাকাও,

তোমার বয়স ভুলে যাও,

উকুন খোঁজে

আর বসন্তকালের রাত,

আর সব সময়ে মনে রেখো

রুটির শেষ টুকরোটা পর্যন্ত খেয়ে ফেলতে হবে—

সেই সঙ্গে, দিলখোলা হাসি হাসতে ভুলো না ।

আর কেই বা বলতে পারে,

যে নারীকে তুমি ভালোবাসো সে তোমাকে ভালোবাসা বন্ধ করে দিয়েছে

বোলো না যে তা কোনো বড়ো ব্যাপার নয় :

ভেতরের মানুষটার কাছে

তা গাছের সবুজ ডাল ভেংএ ফেলা ।

ভেতরে গোলাপ আর বাগানের চিন্তা করা কারাপ,

সমুদ্র আর পাহাড়ের চিন্তা করা ভালো।

বিশ্রাম নি নিয়ে পড়ো আর লেখো

আর আমি বোনবার পরামর্শও দেবো

আর আয়না তৈরি করার ।

আমি বলতে চাই, এমন নয় যে তুমি সময় কাটাতে পারবে না

দশ বা পনেরো বছর ভেতরে

আর বেশি–

তুমি পারবে,

যতক্ষণ না সেই মণি

যা তোমার বুকের বাঁ দিকে আছে তা জৌলুশ হারিয়ে ফেলছে !

 

About anubadak

আমি একজন অনুবাদক । এতাবৎ রেঁবো, বদল্যার, ককতো, জারা, সঁদরা, দালি, গিন্সবার্গ, লোরকা, ম্যানদেলস্টাম, আখমাতোভা, মায়াকভস্কি, নেরুদা, ফেরলিংঘেট্টি প্রমুখ অনুবাদ করেছি ।
This entry was posted in Nazim Hikmet and tagged . Bookmark the permalink.

1 Response to নাজিম হিকমত-এর কবিতা ( ১৯০২ – ১৯৬৩ )। অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী

  1. আমিনুল ইসলাম বলেছেন:

    খুব ভালো লাগলো। ঈর্ষণীয় লেখা ।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s